Being Human

This morning I took a BRTC bus. There was a little girl standing beside my seat. She was around five, not big enough to balance herself in a moving bus. To her mum, she was comparatively bigger than the other child. The poor mum could not take two kids in her arms at the same time. So, the little girl was trying to help herself. I took her on my lap and looked at the back to make sure that her mum knew that she was safe with me. To my surprise, I found the other passengers to be a little uneasy with this situation. Why? Because the girl’s dress suggested that she belonged to a poor family. May be her mum was a garment worker or something like that. I did not mean to start a revolutionary movement with my action. Being a Bangalee woman, to offer my lap to a child seems to be the most natural thing to do. Why does it seem so strange? Being completely unaware of the complexities of life, my Bangalee princess pushed herself a bit more towards me so that she could sit comfortably. I loved that!

Finally, when the bus reached my destination, she went back to her Mum. While I was trying to reach the bus door through the crowd, I had to get the attention of the women standing beside my seat. Being unsure about how to address those ladies (Auntie or Apa), I just said, ‘Excuse me.” That worked!!! The looks on their faces changed. Wow! My prestige among Bangalees was regained by some English words!

Can’t help but mentioning that this is March – the glorious month of Independence! 46 years back, we were united as a nation – we were determined to fight against all sorts of injustices and discriminations. Seems like a myth sometimes.

Advertisements

শুদ্ধতম অনুভূতি

পৃথিবীর শুদ্ধতম অনুভূতির নাম স্নেহ। ভালবাসার অন্য সমস্ত ফরম্যাটের সূচনাতে আদান- প্রদানের একটা বিষয় থাকে। কিন্তু স্নেহ জিনিসটা শুরুই হয় একটা লস প্রজেক্ট হিসাবে।
বিষয়টা আগে বুঝি নি। মা-বাবার একমাত্র সন্তান তো। পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজনের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু ছিলাম বহুদিন। ভালবাসা পাওয়াটা একটা স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল। কেউ ভালবাসলে প্রতিদানে আমিও তাকে ভালবাসতাম। আমি আগ বাড়িয়ে কাউকে ভালবাসিনি। দরকার পড়ে নি। কিন্তু হঠাৎই একদিন সব হিসাব এলোমেলো করে দিল একজন।
ছোট্ট একটা মানুষ। ১৮ ঘন্টা ঘুমিয়ে থাকে। কোলে নিতে গেলে কাপড়- চোপড় নোংরা করে দেয়। মাঝে মাঝে পিট পিট করে তাকায়। আমি যে ওর কে তা আলাদা করে জানেও না। কিন্তু আমি ওর অনেক কিছু জেনে গেছি। লাল জিনিস দেখলে ও সেইদিকে তাকিয়ে থাকে। ও যখন ভ্যা ভ্যা করে কাঁদে, তখন ওকে কোলে নিয়ে ঝাঁকালে ও হেসে ফেলে। ওর থুতনিটা ছিল একটা সুইচের মত। টিপ দিলেই হাসত। কিন্তু তবু ও লস প্রজেক্ট। ভালবাসার জবাবে ফিরতি ভালবাসা দিতে পারে না। মুখে কথাই যে ফোটে নি। তবু এই ছোট্ট মানুষটাকে ভালবেসেই চললাম।
ওর প্রতি আমায অব্যাখেয় ভালবাসার কারণে অন্য সমস্ত ভালবাসার ব্যাখ্া বুঝতে শুরু করলাম। মা-বাবা কী কারণে, কোন আনন্দে সন্তানকে ভালবসেন সেটা বুঝলাম। ওকে দশ মিনিট সামলাতে গিয়েই আমার অবস্থা খারাপ হয়ে যেত। আর সৃিষ্টিকর্তা অামাদের মত নাদান সৃষ্টিকূলকে কীভাবে সহ্য করেন তা ভাবতেই আমার ঈশ্বর ভক্তি আরো বেড়ে গেল। ও আমার জীবনে না আসলে আমি জানতামই না ভালবাসা পাওয়ার চাইতে দেওয়াতেই বেশি আনন্দ। স্নেহ মানুষকে মানবিক করে , পরিশীলীত করে। আমাকে একটু হলেও মানবিক করে তোলার ক্রেডিটটা তার পাওনা।
আমার জীবনে প্রথম স্নেহের উৎসই হল সে-
প্রজ্ঞা পারমিতা। আমার ছোট বোন। প্রচণ্ড বুদ্ধিমতী। কিন্তু অসহ্য রকম দুষ্টু। আশ্চর্য রকম মিষ্টি। অাগামীকাল ওর জন্মদিন। ঈশ্বর ওর মঙ্গল করুন।
12472612_10209105669503138_8311510734798069850_n

বন্ধু দিবস ২০১৫

ক্লাস এইটের স্কলারশিপ পরীক্ষা। স্কলারশিপ পরীক্ষার জন্য সিলেক্টেড হওয়াটাও আমাদের মত ব্যাকবেঞ্চারের কাছে একটা সেইরকম খবর ছিল। বাংলাদেশ কখনো বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য চান্স পেলে যেমন অবস্থা হবে আমাদেরও ঠিক তেমন অবস্থা ছিল। স্কলারশিপ জেতার কোনরকম উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল না। রিল্যাক্সমুডে বসে বসে এক ঝাঁক ব্রিলিয়ান্টদের দিকে চেয়ে দেখছিলাম। আমরা দুই বন্ধু প্রায় পরপর বেঞ্চিতে বসেছি। মাঝে কাবাব মে হাড্ডি হয়ে বসে আছে এক অতিমাত্রায় ভাল ছাত্রী। সেই সিরিয়াস ছাত্রীটি তার মনগড়া কোন কারণে আমাকে লেখাপড়ায় তার প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করত (তার আর আমার সিরিয়াল খুব কাছাকাছি থাকত বলেই হয়ত।)। অথচ তার এতটা মনোযোগের যোগ্য আমি ছিলাম না। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার অদ্ভূত কোন খেয়ালে আমার চেহারাটা দেখে গোড়ার দিকেই কেউ কেউ আমাকে ভাল ছাত্রী বলে ধরে নেন। যাহোক, সেই মহামান্যা এক্সাম হলে বসে সিদ্ধান্ত নিলেন- নিজে যদি স্কলারশিপ নাও পান তবু আমারটা যে করেই হোক আটকে দেবেন। সেদিন অঙ্ক পরীক্ষা। অঙ্কে আমার সাংঘাতিক ভীতি। যে কয়টা পারি করে চুপচাপ বসে থাকলাম। এদিকে আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের তো মন মানেনা। ও অঙ্কে ভীষণ ভাল। ও চাইছে এই শেষ পনের মিনিটে আমাকে হেল্প করতে। কিন্তু ঠিক যে অঙ্কটা আমার করা বাকি আছে, সেটা ও করে নি। ও সামনের সেই ব্রিলিয়ান্টকে কাকুতি মিনতি করতে লাগল- প্লীজ, আমাকে কিচ্ছু দেখাতে হবে না। আমি তোমাকে একটা বলে দেব। তার বদলে শ্যামাকে ওই অঙ্কের সূত্রটা একটু বলে দাও। আমি জানি, তুমি ওই অঙ্কটা করেছ।“ আমার বেঞ্চ থেকে আমি শুনতে পাচ্ছিলাম। মজার কথা হল, পরীক্ষার হলে দেখাদেখির প্রতিভা আমার শুন্য। মেয়েটি দেখাতে চাইলেও আমি দেখে উঠতে পারতাম না। মেয়েটি হাসিমুখে খাতা ঢেকে বসে থাকল। আমার বন্ধুটা অসহায় মুখে দুই বেঞ্চ দুরত্ব থেকে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে থাকল। পরীক্ষা শেষে বরাারের মতই দাঁত বের করতে করতে বের হয়ে এলাম। কিন্তু আমার বান্ধবীর চোখ জলে টলমল করছে। সে আপ্রাণ চেষ্টা করছে জল আটকে রাখার। আমি ওই অঙ্কটা করতে পারি নি-এই দু:খ ও ভুলতে পারছে না। ওকে সেদিন কিছু বলি নি। মনে মনে ভাবলাম, “যদি ওই মেয়ের কাছে দেখতাম, সেটা হত আমার সারাজীবানের কলঙ্ক। আর ও দেখায় নি বলেই আমি তোকে চিনলাম। জানতে পারলাম, বন্ধুত্ব এত নি:স্বার্থ হতে পারে। ওই অসীম শত্রুভাবাপন্ন মেয়েটির কাছে আমি কৃতজ্ঞ।“
বলা বাহুল্য স্কলারশীপ পাই নি। কিন্তু তার বদলে গোটা স্কুলজীবনে যা পেয়েছি, তার তুলনা নেই। আমরা পাঁচ বাঁদর নিজেদের নাম দিয়েছিলাম-পঞ্চ পান্ডব। বিজ্ঞান ভবনের ছোট দুই সীটের ডেস্ক সেট- আপ আমাদের মনে ধরে নি। সমস্ত গার্ড আর বুজিদের নজর এড়িয়ে কলা ভবন থেকে পাঁচ জন বসার মত বেঞ্চি টেনে নিয়ে গিয়েছিলাম বিজ্ঞান ভবনের দুই তলায়। বসব যখন, পাঁচজনই একসাথে বসব। কেউ এক টিচারের কাছে প্রাইভেট পড়ে যা কিছু নোট, সাজেশন্স পেত- সব কিছু নিজ দায়িত্বে সে-ই পাঁচ কপি করে ফেলত। নোট নিয়ে অতি কাছের বন্ধুদের মধ্যেও অনেক কূটনামি দেখেছি। আমাদের মধ্যে সেটা ছিল না।
আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে যাকে পেলাম তার মাথার সাথে আমার ওয়াইফাই কানেকশন ছিল। কোনকিছু মুখে বলা লাগত না। এমনিই বুঝে যেতাম। দুই বন্ধু সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে বসে বসে উল্টোপাল্টা গল্প করে যাচ্ছি। দুপুর সাড়ে বারটার বাসটা ধরার কথা। ১২.২৫ এর সময় দুজন একসাথে বলে উঠতাম। “ধুর, এখন এখান থেকে মলচত্বরে পৌছানো যাবে না। ১.২০ এর বাসে যাব।” মজার ব্যাপার হল, ১.১৫ বাজলেও এই একই রিয়ালাইজেশন হত। এরকম করতে করতে প্রথম দুই বছরে প্রায় প্রতিদিনই বাড়ি ফিরতাম ক্ষণিকার লাস্ট বাসটা ধরে। বন্ধুত্ব বোধহয় এমনই। ছোটবেলায় পড়ে আসা ‘সময়ের মূল্য” রচনাকে নিমেষে ভুলিয়ে দিতে পারে।
কোন কোন বছর, পঞ্চপান্ডবের কারো জন্মদিনে আমি যখন খুব ভাব নিয়ে ফোন করে “’হ্যাপি বার্থডে টু ইউ’ গানটা গেয়ে উইশ করি, তখন ওপাশ থেকে সে বলে ওঠে, “ ফালতু ভাব মারিস না। তা, এ বছর কে মনে করিয়ে দিল, ববি, তাশা, নাকি মৌলি?” আমার কোন খোঁড়া যুক্তি তখন কাজে আসে না। বন্ধুত্ব বোধহয় এমনই। ভুলোমনা বন্ধুর স্টুপিডিটি মেনে নিয়ে, তার উপর হম্বি-তম্বি করে আবার তাকে কাছে টেনে নেওয়া।
চাকরিজীবনে এসে যাদেরকে পেয়েছি, তারা আমার মত একটি টিউবলাইটকে কেন এবং কী কারণে এত সহ্য করে আমি জানি না। আমার প্রতিটি দুর্বলতা মেনে নিয়ে নিজের ঘাড়ে এক্সট্রা চাপ নিয়ে এরা কী আনন্দ পায় আমি বুঝি না। তাদের কেউ কেউ আবার দেশ কাল সীমানার গণ্ডি পেরিয়ে বারবার মনে করিয়ে দেয়, “তুমি আমাকে সহ্য করতে না পারলেও কিছু করার নেই। যেখানেই থাকি, আমি তোমার জীবন থেকে সরছি না।” কেউ আবার মনে করিয়ে দেয়, ‘তোর ভালবাসাব ধার ধারি না। আমার কাজ আমি করে যাব।” কেউ আবার অসীম নির্ভরতার দৃষ্টিতে চেয়ে আমার মত অভাজনকেও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
আমার জীবনের বেস্টফ্রেন্ডদের একজনকেও আমি সিলেক্ট করি নি। নিজে আগ বাড়িয়ে কারো সাথে বন্ধুত্ব করার প্রতিভা আমার নেই বললেই চলে। তবু এরা আমার বন্ধু হয়ে আছেন। মেনে নিতেই হয়, এরা ঈশ্বরের মনোনীত। আমার বন্ধুদের মত ধৈর্যশীল জীব খুব কমই হয়। আমার মত একগুঁয়ে, বদমেজাজী, অালসে, অমিশুকে, ভুলোমনা, অসামাজিক, ঘরকুনো প্রজাতির প্রাণীকে যারা দিনের পর দিন সহ্য করে চলেছেন, তারা নি:সন্দেহে ঈশ্বরের বিশেষ সৃষ্টি। আমার চোখে তারা ছোটখাট মহামনীষী।

(বন্ধু দিবস ২০১৫ উপলক্ষে লেখা)

(আগস্ট ২, ২০১৫)

সামাজিকতার গ্যাঁড়াকলে

গ্রামে এসেছি। নানীবাড়িতে। এখন কিছুদিন কিছু সহজ উষ্ণতা মন ছুঁয়ে যাবে। শহুরে কোলাহল থেকে মুক্ত, আমা্র খুব প্রিয় কিছু মানুষের নিরাপদ সান্নিধ্যে আর প্রশ্রয়ে থাকতে পারব কটা দিন।

কিন্ত, এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে।  ঈদের সময় ঘুরতে এলে অনেক সামাজিকতার প্যাড়া আছে। এর বাড়ি যাও। ওর বাড়ি যাও। যদি না যাও, তুমি অসামাজিক, দেমাগী, অমুকের মেয়ের মাটিতে পা পড়ে না। কী যে ভাবে নিজেকে! আরো কত কী!

দাঁতে দাঁতে চেপে সে পর্ব যদি কোনরকমে সারাও যায়, তার পরই আসে মহা এপিসোড। বাড়িতে বেড়াতে আসা লতায় পাতায় সম্পর্কিত আত্মীয়-পরিজনের সাথে কুশল বিনিময় এপিসোড। ‌আমার মায়ের বিশাল পরিবার। আমার একটা জন্ম চলে গেল শুধু কে কী হয়, তাই মনে রাখার ব্যর্থ প্রচেষ্টা করতে করতে। এর সাথে বোনাস হিসেবে আছে সমগ্র এলাকাবাসী। আমার নানার চেয়ারম্যানির সুবাদে গোটা তল্লাট কোন না কোনভাবে আমাদের আত্মীয়। কখন যে কে কোনদিক দিয়ে কোন প্রশ্ন করে বসবে তার কোন ঠিক নেই। শুরুটা হতে পারে এরকম:

“আমাকে চিনতে পারছ নাকি গো?”

অত্যন্ত রিস্কি প্রশ্ন। ছোটবেলায় শার্লক হোমসগিরি করতে গিয়ে বহুবার ধরা খেতে হয়েছে। ছোটবেলায়, আমার সায়েন্স অব ডিডাকশনগুলো এরকম ছিল-আমার মায়ের জেলার সম্বোধনগুলো হবে নানা-নানী মামা-মামী, অথবা খালা-খালু। অন্য সম্বোধনগুলো সব আমার বাবার জেলার। তো, সায়েন্স অব ডিডাকশনের ফর্মূলা মেনে আমি নিয়ে ফেলি আমার দ্বিতীয় অনুসিদ্ধান্ত। যেহেতু ভদ্রলোকের চুল অনেকটাই কাঁচাপাকা, এবং তিনি আমার মায়ের চেয়ে বয়সে বেশ খানিকটা বড়, অতএব তিনি আমার মামাই হবেন। আমি মুখে যথাসাধ্য ভদ্রতা ফুটিয়ে বলি-মামা! ঠিক তখনি দশদিক প্রকম্পিত করে সবাই সমস্বরে বলে উঠতেন- “পাগলী কী বলে? উনি তোমার ভাইয়া !” বোঝ ঠ্যালা! এই মধ্যবয়সী লোকটি কিনা এক দশ বছরের বালিকার ভাইয়া হয়! বহুবার ঠেকা খেয়ে ইদানীং সৎ থাকার নিরাপদ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি।এরকম প্রশ্নের উত্তরে তাই ঘাড়টা দ্বিধার সাথে দুই দিকে দুলিয়ে অস্ফুটে না বলি। একইসাথে মুখে ভদ্রগোছের একটা মহাদু:খপ্রকাশের ভঙ্গিও ফুটিয়ে রাখতে হয়। নইলে, আমার মাকে শুনতে হবে-তার মেয়ে কোন আদব জানে না।

অতিথি আমার মুখময় লেপ্টে থাকা ভদ্রতায় সন্তুষ্ট হয়েছেন কীনা বোঝার আগেই ধেয়ে আসে আরো প্রশ্নবাণ। কী করছ, কোথায় পড়ছ, পড়াশোনা কবে শেষ হল, ও তুমি তাহলে অমুকের সাথে একই ব্যাচ, তমুককে চেন কীনা? (যেন এক ব্যাচের বা জেলার হলেই সবাই সবাইকে চিনতে বাধ্য)  অমুকের ছেলে/মেয়ে তো খুবই ব্রিলিয়ান্ট। n সংখ্যক A+ বা ফার্স্ট ক্লাসে অলংকৃত। উনার পরিচিত সমস্ত ব্রিলিয়ান্টদের জীবনী মুখস্থ না করে কোন উপায় থাকে না তখন।

এরপরের অবশ্যাম্ভাবী প্রশ্নটা হল- কী করছ? আমার উত্তর শুনে তার দ্বিধাহীন মন্তব্য- “কিন্তু সরকারী চাকরি যে করতে হবে ভাইয়া। সরকারী চাকরির একটা আলাদা মর্যাদা। হ্যালোর দাম থাকতে হবে। এসব চাকরিতে বেতন যতই দিক, তোমার তো হ্যালোর দাম নাই। বিসিএসটা দিতেই হবে।”

আমি জানি, সরকারী চাকরির পক্ষে-বিপক্ষে কোনরকম তর্ক এনাদের সাথে করে লাভ নেই। এদের সামনে মার্ক জুকারবার্গকে এনে দাঁড় করিয়ে দিলে তাকেও এরা বিশ্বাস করিয়ে ছাড়বে যে, সে কোন সরকারী চাকরিতে জয়েন না করে নিজের জীবনটা নষ্ট করে ফেলল।

এর পরের প্রশ্নটা আরো মারাত্মক। সে প্রসঙ্গে না যাই। তবে, এই যুগে এসে আমাদের বোঝা উচিত, পৃখিবীর সব দেশে, সব ভাষায় ‘ব্যক্তিগত’ বলে একটা শব্দ আছে। বাংলা ভাষায়ও আছে । শব্দটা আমাদের পরিচিত। মানেটা কী জানা?

সবশেষে বলি, সামাজিকতা, তোমার ক্ষুরে সালাম!